• ABOUT
  • CONTACT
  • PRIVACY
  • SITEMAP
  • OTHER

AROHI

Basic Blogger Template Design

Menu
  • HOME
  • BLOGING
  • WIDGETS
  • ANDROID
    • Sub-Menu 1
    • Sub-Menu 2
      • Sub Sub-Menu 1
      • Sub Sub-Menu 2
      • Sub Sub-Menu 3
      • Sub Sub-Menu 4
      • Sub Sub-Menu 5
    • Sub-Menu 3
      • Sub Sub-Menu 1
      • Sub Sub-Menu 2
      • Sub Sub-Menu 3
      • Sub Sub-Menu 4
      • Sub Sub-Menu 5
  • SEO
  • EARNING
  • CATEGORIES
    • Sub-Menu 1
    • Sub-Menu 2
      • Sub Sub-Menu 1
      • Sub Sub-Menu 2
      • Sub Sub-Menu 3
      • Sub Sub-Menu 4
      • Sub Sub-Menu 5
    • Sub-Menu 3
      • Sub Sub-Menu 1
      • Sub Sub-Menu 2
      • Sub Sub-Menu 3
      • Sub Sub-Menu 4
      • Sub Sub-Menu 5
  • TOOLS
টিপস এন্ড ট্রিকস
Showing posts with label টিপস এন্ড ট্রিকস. Show all posts
Showing posts with label টিপস এন্ড ট্রিকস. Show all posts

Sunday, March 27, 2016

চাঁদপুর প্রতিদিন

কোন http Error কোনটার কি মানে সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন!!

  চাঁদপুর প্রতিদিন      Sunday, March 27, 2016     টিপস এন্ড ট্রিকস      No comments   

Http Error একটি পরিচিত বিষয়। ইন্টারনেটে ব্রাউজ করতে করতে আমরা বিভিন্ন সময়ই দেখি 404 Page not found বা 503 Service unavailable এরকম এরর। এছাড়াও আরো বিভিন্ন HTTP Success অথবা Error কোড চোখে পড়ে আমাদের। কিন্তু অনেকেই জানেনা বিভিন্ন নাম্বার সম্বলিত সেই কোডগুলো সম্বন্ধে তাই আজ আমার এই টিউনে আমি সেই কোডগুলো সম্বন্ধেই একটু ধারনা দিতে চেষ্টা করবো।
1xx Informational
১ দিয়ে শুরু হওয়া কোডগুলো বুঝায় যে অনুরোধ গৃহিত হয়েছে সার্ভারে, এবং অনুরোধটি প্রসেস করা হচ্ছে।
(শুধু স্টেটাস লাইন ও অপশনাল হেডারের মাধ্যমে এ ধরনের স্টেটাস কোড বিভিন্ন শর্তাধীনে রিস্পন্স করা নির্দেশ করে থাকে। যেহেতু HTTP/1.0 তে 1xx স্টেটাস কোড ব্যবহৃত হয় না, তাই পরীক্ষামূলক কোন পরিস্থিতি ছাড়া সার্ভারের অবশ্যই কোন HTTP/1.0 ক্লায়েন্টের কাছে 1xx রিস্পন্স পাঠানো উচিত হবে না।)
100 continue
এটা দ্বারা বুঝায় যে, সার্ভারে রিকোয়েস্টেড হেডারগুলো গৃহীত হয়েছে, এবং ক্লায়েন্ট রিকোয়েস্টেড বডি প্রেরণ করতে পারে। ভুল হেডারের কারনে সার্ভারে কোন রিকোয়েস্ট ব্যর্থ হলে বড় আকারের রিকোয়েস্টেড বডি সার্ভারে প্রেরন করা বৃথা। শুধু হেডারের উপর ভিত্তি করে রিকোয়েস্ট গৃহীত হবে কিনা তা জানার জন্য জন্য সার্ভার চেক করতে একজন ক্লায়েন্টকে অবশ্যই হেডারের প্রারম্ভিক রিকোয়েস্ট হিসেবে Expect: 100-continue কোড প্রেরন করতে হবে এবং কাজ শুরু চালানো শুরু আগে, অবশ্যই চেক করে নিতে হবে যে, 100-continue স্টেটাস কোড সার্ভার কতৃক গৃহীত হয়েছে। (যদি সার্ভার রিস্পন্স হিসেবে 417 Expectation Failed কোড সো করে কন্টিনিউ করা উচিত হবে না।)
101 Switching Protocols
এই কোড দ্বারা বুঝায় অনুরোধকারী সার্ভারকে প্রোটোকল সুইচ করতে অনুরোধ করছে এবং সার্ভারও তাতে সাড়া দিয়েছে।
102 Processing (WebDAV) (RFC 2518)
যেহতু একটি WebDAV রিকোয়েস্ট অনেক সাব-রিকোয়েস্ট ধারন করতে পারে তাই এ ধরনের রিকোয়েস্ট সম্পাদন করতে অনেক সময় লাগতে পারে। এ ধরনের কোড বুঝায় যে, সার্ভার কতৃক রিকোয়েস্ট গৃহীত হয়েছে এবং সার্ভার রিকোয়েস্ট প্রসেস করছে কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন রিস্পন্স পাওয়া যাচ্ছে না। এর ফলে ক্লায়েন্ট বুঝতে পারে যে কাজ চলছে এবং তার রিকোয়েস্টটি হারিয়ে যায়নি।
2xx Success
এই শ্রেনীর স্টেটাস কোড বুঝায় যে, ক্লায়েন্টোর দ্বারা অনুরোধকৃত কাজটি গৃহীত হয়েছে, তা বোঝা গেছে, অনুমোদিত হয়েছে এবং সফলতার সাথে প্রসেস করা হয়েছে।
200 OK
এটি একটি সফল HTTP রিকোয়েস্টের আদর্শ রিস্পন্স। প্রকৃত রিস্পন্স সাধারণত রিকোয়েস্টের পদ্ধতির উপর নির্ভর করে। একটি GET রিকোয়েস্টের ক্ষেত্রে, রিস্পন্সের সাথে “অনুরোধকৃত রিসোর্সের সাথে রিকোয়েস্টের একটি এনটিটিও যুক্ত থাকে। POST রিকোয়েস্টের ক্ষেত্রে, রিস্পন্সের সাথে অনুরোধকৃত কাজের ব্যাখ্যা বা ফলাফল যুক্ত থাকে।
201 Created
এই কোডটি দ্বারা বুঝায় যে, অনুরোধটি গৃহীত হয়েছে যার ফলে একটি নতুন রিসোর্স তৈরি করা হচ্ছে।
202 Accepted
এ কোডটি দ্বারা বুঝায়, প্রসেসিংয়ের জন্য রিকোয়েস্টটি গৃহীত হয়েছে, কিন্তু প্রসেসিং সম্পাদিত হয়নি।
203 Non-Authoritative Information (since HTTP/1.1)
এ কোডের দ্বারা বুঝায় সার্ভার সফলতার সাথে রিকোয়েস্ট সম্পাদিত করেছে, কিন্তু এ থেকে যে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে তা সম্ভবত অন্য কোন উৎস থেকে আসছে।
204 No Content
এ কোডের দ্বারা বুঝায় যে সার্ভার সফলতার সাথে অনুরোধ সম্পাদিত করেছে, কিন্তু কোন কন্টেন্টই নাই।
205 Reset Content
এ কোড দ্বারা বুঝায় সার্ভার সফলতার সাথে অনুরোধ সম্পাদিত করেছে কিন্তু কোন কন্টেন্টই আসছে না। 204 কোডের চেয়ে কিছুটা ভিন্ন এ কোডের ক্ষেত্রে রিস্পন্সটি অনুরোধকারীকে তার ডকুমেন্ট ভিউকে রিসেট করতে বলে।
206 Partial Content
এ কোডটি বুঝায় ক্লায়েন্টের পাঠানো রেঞ্জ হেডারের কারনে সার্ভার রিসোর্সের মাত্র একটি অংশ প্রেরন করছে। রিজিউম, বাধাগ্রস্থ ডাউনলোড এবং একটি ডাউনলোডকে একইসাথে বহুমুখি স্ট্রীমের মাধ্যমে ভাগ করে ডাউনলোডের ক্ষেত্রে এ কোডটি wget টুলস কর্তৃক ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
207 Multi-Status (WebDAV) (RFC 2518)
এ কোড বুঝায় যে ম্যাসেজের বডিটি একটি XML ম্যাসেজ, যা ভিন্ন ভিন্ন সাব-রিকোয়েস্টের জন্য ভিন্ন ভিন্ন রিস্পন্স কোড ধারন করে থাকে।
এই শ্রেনীর কোডের ক্ষেত্রে এটা বুঝায় যে রিকোয়েস্ট সম্পাদিত করতে ক্লায়েন্টকে অবশ্যই রিডিরেক্ট হবে।
যদি এবং কেবল যদি দ্বিতীয় রিকোয়েস্টের ক্ষেত্রে GET অথবা HEAD পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তাহলে হয়তোবা ঐ অ্যাকশন ব্যাবহারকারীর সাথে কোন ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ছাড়াই ব্যবহারকারীর এজেন্টের মাধ্যমে সম্পাদিত হবে। ব্যবহারকারীর এজেন্ট কখনোই কোন রিকোয়েস্টকে পাঁচ মিনিটের বেশি রিডিরেক্ট করতে পারবে না, কারন তখন বুঝা যায় যে হয়তো এ ধরনের রিডিরেকশন একটি অনির্দিষ্ট লুপ বা চক্রের সৃষ্টি করছে।
301 Moved Permanently
এ কোড দ্বারা বুঝায় এটি এবং ভবিষ্যতের সকল রিকোয়েস্ট প্রদত্ত্ব URL এ ডিরেক্ট করে দেয়া হবে।
302 Found
এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় রিডিরেক্ট কোড কিন্তু এটি একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রেকটিস যা স্টেন্ডার্ড নীতির বিরোধী। HTTP/1.0 মতে একজন ক্লায়েন্ট শুধু অস্থায়ী রিডিরেক্ট করতে পারবেন, কিন্তু জনপ্রিয় ব্রাউজার 302 কোড কে 303 see other কোডের মত বাস্তবায়িত করেছে। সেই জন্যেই HTTP/1.1 এ স্টেটাস কোড 303 এবং 307 কে যুক্ত করেছে, যাতে ঐ ভিন্ন দুটি আচরনকে স্বাতন্ত্র্য করা যায়। যাইহোক, এখনো বেশির ভাগ ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন এবং ফ্রেমওয়ার্কই 302 স্টেটাস কোডকে এমন ভাবে ব্যবহার করে যেন এটি 303।
303 See Other (since HTTP/1.1)
এ কোডটি দ্বারা বুঝায় যে অনুরোধের রিস্পন্সটি GET পদ্ধতির সাহায্যে আরেকটি URL থেকে পাওয়া যাবে। যখন PUT এর রিস্পন্স হিসেবে এ ধরনের কোড পাওয়া যাবে, তখন বুঝতে হবে যে, সার্ভার ডাটা রিসিভ করেছে এবং রি-ডিরেক্ট আরেকটি GET ম্যাসেজের মাধ্যমে ইস্যু করতে হবে।
304 Not Modified
এ কোডের মাধ্যমে বুঝায় যে সর্বশেষ রিকোয়েস্টের পর রিসোর্সটিকে আর মডিফাই করা হয়নি।
305 Use Proxy (since HTTP/1.1)
প্রাথমিক নিরাপত্তার কারনে মজিলা এবং ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের মত অনেক HTTP ক্লায়েন্ট এ স্টেটাস কোডের সাহায্যে সঠিকভাবে রিস্পন্স করে না।
306 Switch Proxy
আর ব্যবহার করা হয় না।
307 Temporary Redirect (since HTTP/1.1)
এ কোডের ক্ষেত্রে অন্যকোন URI এর মাধ্যমে পুনরায় রিকোয়েস্ট করতে হবে। কিন্তু ভবিষ্যতের রিকোয়েস্টগুলো ক্ষেত্রে তারপরেও অরিজিনাল URI ব্যবহার করা যেতে পারে। 303 এর সাথে তুলনা করতে গেলে, এ ক্ষেত্রে রিকোয়েস্ট রি-ইস্যু করার সময় রিকোয়েস্টের পদ্ধতি পরিবর্তন করা যাবে না। উদাহরণস্বরূপ: একটি POST রিকোয়েস্ট অবশ্যই পুনরায় ইস্যু করার সময় আরেকটি POST রিকোয়েস্ট ব্যবহার করতে হবে।
ক্লায়েন্ট কোন ভুল করলে এ শ্রেনীর স্টেটাস কোড ব্যবহৃত হয়। শুধু HEAD রিকোয়েস্ট ছাড়া বাকি সবগুলো রিস্পন্সের সাথেই সার্ভার ভুলের ব্যখ্যা সহ একটা এনটিটি যুক্ত করে দেয় এবং আরো জানিয়ে দেয় এ পরিস্থিতি কি স্থায়ী না অস্থায়ী। যেকোন রিকোয়েস্ট পদ্ধতির ক্ষেত্রেই এ স্টেটাস কোডগুলো প্রযোজ্য। এক্ষেত্রে ব্যবহার কারীর এজেন্ট সকল যুক্ত এনটিটিগুলোকে প্রদর্শিত করে। নিচে সাধারনতো সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত Error কোডগুলো দেয়া হল:
400 Bad Request
এ কোড বুঝায় যে রিকোয়েস্টে পদবিন্যাসে ভুল রয়েছে।
401 Unauthorized
এটি 403 Forbidden কোডের অনুরূপ কিন্তু শুধুমাত্র authentication সম্ভব হয়।
402 Payment Required
এ কোডটি বুঝায় ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য সংরক্ষন করা হল। আসলে প্রকৃত উদ্দেশ্যটি হল, এ কোড সাধারণত কোন ডিজিটাল ক্যাস বা মাইক্রোপেইমেন্টোর পরিকল্পনার একটি অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার কথা, যেহেতু তা হয়নি তাই এই কোডও কখনো ব্যবহৃত হয়নি।
403 Forbidden
এ কোড দ্বারা বুঝায় রিকোয়েস্টটি একটি লিগাল রিকোয়েস্ট ছিল, কিন্তু সার্ভার এ রিকোয়েস্টের জন্য রিস্পন্স করতে অসম্মতি জানাচ্ছে।
404 Not Found
এ কোডের দ্বারা বুঝায় অনুরোধকৃত রিসোর্চ বর্তমানে পাওয়া সম্ভব নয়, তবে ভবিষ্যতে পাওয়া যেতে পারে। এর পরবর্তিতে ক্লায়েন্টোর আরো রিকোয়েস্ট করা অনুমোদিত।
405 Method Not Allowed
এ কোড দ্বারা বুঝায় এমন একটি পদ্ধতির সাহায্যে রিসোর্স রিকোয়েস্ট করা হয়েছে যা ঐ রিসোর্স সাপোর্ট করে না। উদাহরনস্বরূপ: যেখানে POST প্রয়োজন সেখানে GET পদ্ধতি ব্যবহার করলে এ স্টেটাস কোডটি প্রদর্শিত করবে।
406 Not Acceptable
এ কোড দ্বারা বুঝায় রিকোয়েস্টেড রিসোর্স শুধু সেই কন্টেন্ট তৈরী করতে সক্ষম যা রিকোয়েস্টের সাথে প্রেরীত Accept headers অনুসারে গ্রহণযোগ্য নয়।
408 Request Timeout
এ কোড দ্বারা বুঝায় রিকোয়েস্টের জন্য অপেক্ষার করতে করতে সার্ভারের টাইম আউট হয়ে গেছে।
409 Conflict
এ কোড বুঝায় যে রিকোয়েস্ট সম্পাদিত করা যাচ্ছে না কারন রিকোয়েস্টের মধ্যে Conflict রয়েছে। যেমন: Edit-conflict.
410 Gone
এ কোড দ্বারা বুঝায় যে অনুরোধকৃত রিসোর্চ এখন আর পাওয়া সম্ভব নয় এবং ভবিষ্যতেও পাওয়ার সম্ভাবন নেই।
411 Length Required
এ কোড বুঝায় যে রিকোয়েস্টের সাথে কন্টেন্টের লেন্থ দিয়ে দেয়া হয়নি, যা অনুরোধকৃত রিসোর্চ ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
412 Precondition Failed
এ কোডটি বুঝায় আনুরোধকারীর রিকোয়েস্টে একটি পূর্বশর্ত মেনে চলা হয়নি।
413 Request Entity Too Large
এ কোডটি বুঝায় যে অনুরোধকারী সার্ভারের অনুমোদিত বা ধারনাক্ষমতার বেশি পরিমানে রিকোয়েস্ট করেছেন।
414 Request-URI Too Long
এ কোড দ্বারা বুঝায় যে প্রদত্ত URI সার্ভারের প্রসেস করার জন্য যথেষ্ট বড়।
415 Unsupported Media Type
এ কোডটি বুঝায় সার্ভার বা রিসোর্চ সাপোর্ট করে এমন কোন মিডিয়া ফাইল রিকোয়েস্ট করা হয় নি।
416 Requested Range Not Satisfiable
এ কোডটি বুঝায় যে ক্লায়েন্ট একটি ফাইলের শুধু একটি অংশের জন্য অনুরোধ করেছেন কিন্তু সার্ভার সেই উল্লেখ্য অংশটি সাপ্লাই করতে পারছে না।
417 Expectation Failed
এ কোড দ্বারা বুঝায় Expect request-header field এর জন্য প্রযোজ্য যোগ্যতা সার্ভারটির ক্ষমতার সাথে মিলছে না।
418 I’m a teapot
এ কোডটি দ্বারা বুঝায় HTCPCP সার্ভার একটি teapot। RFC 2324, Hyper Text Coffee Pot Control Protocol অনুসারে এ কোডটিকে একটি প্রথাগত IETF April Fools’ jokes হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
422 Unprocessable Entity (WebDAV) (RFC 4918)
এ কোডটি বুঝায় রিকোয়েস্টটির কাঠামো সঠিক ছিল কিন্তু অর্থগত কারনে এটা অনুসরন করা সম্ভব নয়।
423 Locked (WebDAV) (RFC 4918)
এ কোডটি বুঝায় যে রিসোর্স অনুরোধ করা হয়েছিল তা লক করা অবস্থায় আছে।
424 Failed Dependency (WebDAV) (RFC 4918)
এ কোডটি বুঝায় পূর্ববর্তি রিকোয়েস্টটি ব্যর্থ হওয়ার করনে উক্ত রিকোয়েস্টটিও ব্যর্থ হয়েছে।
425 Unordered Collection (RFC 3648)
এ কোডটি “WebDAV Advanced Collections Protocol” এ পাওয়া যায়ে কিন্তু “Web Distributed Authoring and Versioning (WebDAV) Ordered Collections Protocol” এ অনুপস্থিত।
426 Upgrade Required (RFC 2817)
এ কোডটি বুঝায় ক্লায়েন্টকে অন্য প্রোটোকল যেমন TLS/1.0 এ সুইচ করতে হবে।
449 Retry With
এটি একটি মাইক্রোসফটএর এক্সটেনশন নির্দেশ করে এবং বুঝায় যে সঠিক কার্য সম্পাদনের পর পুনরায় রিকোয়েস্ট করতে হবে।
450 Blocked by Windows Parental Controls
এটিও একটি মাইক্রোসফট এক্সটেনশন নির্দেশ করে। যখন উইন্ডোজ পেরেন্টাল কন্ট্রোল অন করা থাকে তখন এ কোডটি প্রদর্শিত হয় এবং রিকোয়েস্ট করা ওয়েবপেইজটির অ্যাকসেস বন্ধ করে দেয়া হয়।
5xx Server Error
এ শ্রেনীর কোডগুলো তখনই প্রদর্শিত হয় যখন সার্ভার দৃশ্যত একটি ভ্যালিড রিকোয়েস্ট পূরণ করতে ব্যর্থ হয়।
রিস্পন্স স্টেটাস কোডের শুরুতে “5” থাকার মানেই হলো সার্ভারে কোন ত্রুটি দেখা দিয়েছে বা এটা কোন রিকোয়েস্ট সম্পাদিত করতে সক্ষম নয়। শুধু HEAD ফাইল ছাড়া, অন্যক্ষেত্রে সার্ভার রিস্পন্স এর সাথে ভুলের ব্যাখ্যা সহ একটি এনটিটি যুক্ত করে দিবে এবং এ ভুলের স্থায়ী সম্পর্কে ধারনা দিবে। ব্যবহারকারীর এজেন্ট উল্লেখিত এনটিটি ব্যবহারকারীকে প্রদর্শন করবে।
নিচের রিস্পন্স কোডগুলো যেকোন রিকোয়স্ট পদ্ধতির জন্য্ই প্রযোজ্য:
500 Internal Server Error
এ কোডটি বুঝায় যখন সার্ভার সৃষ্ট সমস্যার কোন কারন খুজে না পায় তখন এ স্টেটাস কোডটি প্রদর্শন করে।
501 Not Implemented
এ কোডটি দ্বারা বুঝায় সার্ভার রিকোয়েস্ট পদ্ধতিটি বুঝতে পারছে না অথবা এটি রিকোয়েস্ট পূর্ণ করতে সক্ষম নয়।
502 Bad Gateway
এ কোডটি থেকে বুঝা যায় সার্ভারটি একটি gateway বা proxy হিসেবে কাজ করছিল এবং ডাউন-স্ট্রীম সার্ভার থেকে একটি ইন-ভ্যালিড রিস্পন্স প্রাপ্ত হয়েছে।
503 Service Unavailable
এ কোডটি বুঝায় সার্ভারটি বর্তমানে বন্ধ আছে। সাধারনত, এ কোডটি অস্থায়ী অবস্থা বুঝাতে ব্যবহৃত হয়।
504 Gateway Timeout
এ কোডটি থেকে বুঝা যায় এ কোডটি থেকে বুঝা যায়: সার্ভারটি একটি gateway বা proxy হিসেবে কাজ করছিল এবং এটি ডাউন-স্ট্রীম সার্ভার থেকে সময় মতো একটি রিকোয়েস্ট পেতে ব্যর্থ হয়েছে।
505 HTTP Version Not Supported
এ কোডটি বুঝায় রিকোয়েস্টে ব্যবহৃত HTTP প্রোটোকলের ভার্সানটি ঐ সার্ভার সাপোর্ট করে না।
506 Variant Also Negotiates (RFC 2295)
এ কোডটি বুঝায় যে অনুরোধটির জন্য স্বচ্ছ কন্টেন্ট-নেগোসিয়েশনের ফলস্বরূপ একটি চক্রকার রেফারেন্স সৃষ্টি হয়েছে।
507 Insufficient Storage (WebDAV) (RFC 4918)
এই অনুরোধটি সম্পূর্ণ করার জন্য পর্যাপ্ত স্থান নেই।
509 Bandwidth Limit Exceeded (Apache bw/limited extension)
এ স্টেটাস কোডটি বোঝায় অনুরোধটি সম্পন্ন করার জন্য যে পরিমান ব্যান্ডউইডথ দরকার সার্ভারের, তা RFCs এ নেই।
510 Not Extended (RFC 2774)
এ কোডটি বুঝায় এ রিকোয়েস্টটি পূর্ণ করতে সার্ভারের জন্য আরো বর্ধিত এক্সটেনশন প্রয়োজন।

Source : Internet of clickntech.com
সম্পূর্ণ পড়ুন
Smiley face

Monday, December 7, 2015

চাঁদপুর প্রতিদিন

১৯৭১ সময়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এখন ওয়েব অ্যাপসে।

  চাঁদপুর প্রতিদিন      Monday, December 7, 2015     ইন্টারনেট , টিপস এন্ড ট্রিকস      No comments   

মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে আগ্রহী তরুণ প্রজন্ম। ইন্টারনেটে কিংবা স্মার্টফোনের অ্যাপ্লিকেশনে ১৯৭১ সম্পর্কে যত বেশি তথ্য থাকবে, তরুণ প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তত বেশি পৌঁছে দেওয়া যাবে। ইন্টারনেটে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনেক তথ্য পাওয়া যায়। কোন সাইটে কী আছে তা নিয়েই এ আয়োজন।


ফ্রিডম ইন দ্য এয়ার
দ্য ডেইলি স্টার এবং গ্রামীণফোনের তত্ত্বাবধানে তৈরি মুক্তিযুদ্ধের অনলাইন সংগ্রহশালা এটি। মুক্তিযুদ্ধের তথ্য তো বটেই, অনেক অডিও-ভিডিও আছে এই পোর্টালে। আর আছে ছবির বড় এক সংগ্রহ। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার প্রতিদিনের ঘটনা পাওয়া যাবে এই ওয়েবসাইটের ‘ওয়ার ক্যালেন্ডার’ বিভাগে। দুর্লভ কিছু দলিলও পাওয়া যাবে। আরও আছে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে দেশবরেণ্যদের সাক্ষাৎকার। তাঁদের কথায়-আলোচনায় ফুটে উঠেছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস।
পোর্টালটির ঠিকানা: archive.thedailystar.net/news2014/freedom-in-the-air
বাংলাদেশ জেনোসাইড আর্কাইভ
মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানার জন্য চমৎকার ওয়েবসাইট এটি। ২০১০ সালে পেয়েছিল জাতীয় ই-কনটেন্ট এবং উন্নয়নের জন্য তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি পুরস্কার। ওয়েবসাইটটির টাইমলাইন অংশে মুক্তিযুদ্ধ এবং এর আগে ও পরের সময়ের ঘটনাপ্রবাহ ক্রমানুসারে লিপিবদ্ধ আছে। ভিডিও ও ফটো গ্যালারিতে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও ও আলোকচিত্র রয়েছে। সেই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের ওপর নির্মিত চলচ্চিত্রের তালিকাও আছে। মুক্তিযুদ্ধের ওপর বেশ কিছু পরিসংখ্যানও দেখা যায় সেখানে। বেশ তথ্যবহুল এ ওয়েবসাইটটিতে মুক্তিযুদ্ধের ওপর অনেক নিবন্ধ পাওয়া যাবে। ঠিকানা: www.genocidebangladesh.org
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ওয়েবসাইটে জাদুঘর নিয়ে যেমন তথ্য আছে, তেমন রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসও। ঠিকানা: www.liberationwarmuseumbd.org
উইকিপিডিয়ায় মুক্তিযুদ্ধ
অনলাইনে সবচেয়ে বড় বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়া। মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কেও আছে অনেক নিবন্ধ। সেখানে ঢুঁ মেরে জেনে নিতে পারেন অনেক না জানা ইতিহাস। বিশ্বের অনেক ভাষাতেই সে তথ্য পাওয়া যাবে।
মূল নিবন্ধ: en.wikipedia.org/wiki/Bangladesh_Liberation_War
ঘটনাপ্রবাহ: en.wikipedia.org/wiki/Timeline_of_Bangladesh_Liberation_War
বাংলাপিডিয়া
বিশ্বকোষ বাংলাপিডিয়াতে আছে মুক্তিযুদ্ধের, মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে অনেক নিবন্ধ। ঠিকানা: en.banglapedia.org/index.php?title=War_of_Liberation,_The
মুক্তিযুদ্ধ-বিষয়ক মন্ত্রণালয়
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস থেকে শুরু করে খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা রয়েছে মুক্তিযুদ্ধ-বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটটিতে। এ ছাড়া মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত অনেক তথ্য থাকলেও বেশির ভাগ লিংক কাজ করে না। ঠিকানা: www.molwa.gov.bd
অ্যাপ
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কয়েকটি মোবাইল অ্যাপ রয়েছে।
একাত্তরের ডায়েরি
মূলত একাত্তরের দিনগুলোর ঘটনাপ্রবাহ নিয়েই অ্যাপটি তৈরি। তবে খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পর্কেও তথ্য আছে। অ্যাপটি চলে অ্যান্ড্রয়েডে। ঠিকানা: http://bit.ly/1NCajjb
মুক্তিযুদ্ধ
অ্যাপটিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, যুদ্ধের বিবরণ, নৃশংসতার ভয়াবহতা, মুক্তিযোদ্ধাদের সাহসিকতা, স্মৃতিস্তম্ভ সম্পর্কে জানা যাবে এটি থেকে। বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে হাতের মুঠোয় উপস্থাপন করা হয়েছে অ্যাপটি থেকে। সঙ্গে মানচিত্র ও ছবি ব্যবহার করে সুন্দর করে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে অ্যাপটিতে। ঠিকানা: http://bit.ly/1lGcOdV
আরও কিছু অ্যাপ—
মুক্তিযুদ্ধ-বিষয়ক মন্ত্রণালয়: http://bit.ly/21GM79T
বাংলাদেশ: http://bit.ly/1lGbYgZ
মুক্তিযুদ্ধ: http://bit.ly/1XM1VZw
সাত বীরশ্রেষ্ঠ: http://bit.ly/1Obz1rc
একাত্তর: http://bit.ly/1XSXmHr
মুক্তিযুদ্ধের গেমস
অনলাইনে মুক্তিযুদ্ধের তথ্যবহুল ভান্ডার থাকলেও এ নিয়ে গেম তৈরি হয়েছে খুব কম। মোবাইলের জন্য সাদামাটা এক গেম তৈরি হলেও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মনে করিয়ে দেয় সেটা।
স্বাধীনতাযুদ্ধ নামের গেমসটি পাওয়া যাবে http://bit.ly/1OHM5Js ঠিকানায়।

সুত্র: প্রথম আলো
সম্পূর্ণ পড়ুন

Friday, October 23, 2015

চাঁদপুর প্রতিদিন

আপনার পাসওয়ার্ড কাজের তো জেনে নিন?

  চাঁদপুর প্রতিদিন      Friday, October 23, 2015     টিপস এন্ড ট্রিকস , সিকিউরিটি      No comments   
বাড়ির মূল দরজায় নিরাপত্তার জন্য কখনোই কেউ প্লাস্টিকের তালা ব্যবহার করেন না। রবার ব্যান্ড বা রশি দিয়েও কেউ দরজা বেঁধে রাখেন না। অনলাইন বা ডিজিটাল মাধ্যমে নিরাপত্তার বিষয়টিও একই রকমের গুরুত্বপূর্ণ। কেননা দৈনন্দিন জীবনে এখন নানা রকমের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। যেগুলোর গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা জরুরি। মোবাইলের পিন (পারসোনাল আইডেনটিফিকেশন নম্বর) থেকে শুরু করে কম্পিউটার, অনলাইনের বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ডের পিন—সব ক্ষেত্রেই সর্তকতা প্রয়োজন।


‘বি শিওর টু ইউজ আ স্ট্রং পাসওয়ার্ড’—এই বার্তাটি অ্যাকাউন্ট খোলার সময় নিয়মিতভাবেই দেখা যায়। একটি শক্তিশালী ও জটিল পাসওয়ার্ড ব্যবহারকারীকে অনলাইনে বিচরণের ক্ষেত্রে অনেকটাই নিরাপদ রাখতে পারে। তবে শুধু পাসওয়ার্ড তৈরি করলেই হবে না, এটি যেন মনে রাখা যায়, সেটিও খেয়াল রাখতে হবে। পাসওয়ার্ড যাতে বেহাত না হয়, সে বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। কার্যকর পাসওয়ার্ড আসলে কোনগুলো আর দুর্বলগুলোই বা কী, তা নিয়ে এ প্রতিবেদন।
সহজেই খুঁজে পাওয়া: অনেকেই ডায়েরি বা নোটবুকে পাসওয়ার্ড লিখে রাখেন। কেউ কেউ আবার মনিটর বা কিবোর্ডের নিচে কাগজে লিখে রাখেন। অনেকে মোবাইল ফোনেও সেভ করে রাখেন ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড বা অনলাইন অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড। এমন কাজগুলো যদি আপনি করে থাকেন, তবে ধরে নেওয়া যেতে পারে অন্য কেউ আপনার পাসওয়ার্ড জেনে ফেলেছে অথবা শিগগিরই জেনে ফেলতে পারে।
পাসওয়ার্ড লিখে রাখা যদি সত্যি খুব জরুরি হয়, তবে পাসওয়ার্ড ম্যানেজার অ্যাপলিকেশন ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে অনেকে ব্যবহার করে এমন কম্পিউটারে পাসওয়ার্ড ব্যবস্থাপনার প্রোগ্রাম ব্যবহার করা উচিত নয়।
খুবই সাধারণ পাসওয়ার্ড: কখনো খুবই সাধারণ পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত নয়। অভিধানে রয়েছে এমন শব্দ, শব্দাংশ বা একাধিক শব্দের সমন্বয় করেও পাসওয়ার্ড তৈরি করা উচিত নয়।
ব্যক্তিগত তথ্যভিত্তিক পাসওয়ার্ড: কোনো ব্যক্তিগত তথ্য যেমন নিজের, প্রিয়জনের নাম বা নামের একাংশ, জন্ম তারিখ, জন্ম সাল, ফোন নম্বর, বাসার ঠিকানা ইত্যাদি কখনোই পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। এসব তথ্যের আংশিক ব্যবহারও নিরাপদ নয়।
সহজে অনুমেয় এমন পাসওয়ার্ড: ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে পাসওয়ার্ড তৈরি করা না হলেও সহজে অনুমান করা যায় এমন ধরনের পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে থাকেন অনেকে। পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহারকারীর ব্যবহৃত বিভিন্ন পণ্যের ব্র্যান্ড নাম, পছন্দের জায়গার নাম, প্রিয় খাবারের নাম ইত্যাদি। এ ধরনের পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা হলে পরিচিত বা নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে এমন যে কেউই পাসওয়ার্ডটি জেনে ফেলতে পারে।
শুধু অক্ষর দিয়ে তৈরি পাসওয়ার্ড নয়: নিরাপদ পাসওয়ার্ড তৈরি করার জন্য সাধারণ অক্ষরের পাশাপাশি বিশেষ অক্ষর, বিভিন্ন চিহ্ন, নম্বরের সমন্বয় থাকা প্রয়োজন।
অতি ক্ষুদ্র পাসওয়ার্ড: পাসওয়ার্ড ন্যূনতম ৮ অক্ষরের হওয়া উচিত। ছোট পাসওয়ার্ড সহজেই অনুমান করা যায়। অনেক প্রতিষ্ঠান বা অ্যাপলিকেশনে বাধ্যতামূলকভাবে ন্যূনতম একটি দৈর্ঘ্যের পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হয়।
অতি পুরোনো: দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করা হলে অনেক সময় জটিল পাসওয়ার্ডগুলোও অনুমান করা
সম্ভব হয়। আর তাই প্রতি ৯০ দিন পরপর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন
করা ভালো।
সব ক্ষেত্রে এক পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা: অনেকেই আছেন মনে রাখার সুবিধার্থে সব ধরনের কাজের জন্য একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে থাকেন। সে ক্ষেত্রে কেউ যদি একটি অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড জেনে ফেলে, তবে অন্য সব অ্যাকাউন্টের জন্যই সেটি ব্যবহার করতে পারবে। বরং প্রতিটি অ্যাকাউন্টের জন্যই আলাদা আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত।
কিছু পরামর্শ
পাসওয়ার্ড ম্যানেজার অ্যাপলিকেশন ব্যবহার করা : জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার মোজিলা ফায়ারফক্স, গুগল ক্রোম, অপেরায় পাসওয়ার্ড সংরক্ষণের ব্যবস্থা আছে এবং একই সঙ্গে অনলাইন অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে একাধিক কম্পিউটার ও মোবাইল ফোনে স্থানান্তরের সুবিধা রয়েছে। এই পাসওয়ার্ডগুলো দেখা ও ব্যবহার করার জন্য ‘মাস্টার পাসওয়ার্ড’ বৈশিষ্ট্যটি সক্রিয় করা থাকলে অন্য ব্যবহারকারীরা পাসওয়ার্ড ম্যানেজার থেকে এটি দেখতে পারবে না। এটি ছাড়াও একাধিক অ্যাড-অন, অ্যাপ ও সফটওয়্যার ব্যবহার করা যেতে পারে পাসওয়ার্ড রাখার জন্য।
পাসওয়ার্ড পুনরুদ্ধার পদ্ধতি সক্রিয় রাখা: অনলাইন সব অ্যাপলিকেশনেই ই-মেইল ঠিকানা যুক্ত থাকে। কখনো পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে পাসওয়ার্ড পুনরুদ্ধার পদ্ধতি অনুসরণ করে নতুন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা যায়। তাই সব সময় খেয়াল রাখতে হবে যে পুনরুদ্ধার পদ্ধতিটি কার্যকর রয়েছে কি না।
দ্বিস্তরের পাসওয়ার্ড: বর্তমানে গুগল, ফেসবুক, ইয়াহুর মতো প্রতিষ্ঠানগুলো দ্বিস্তরবিশিষ্ট নিরাপত্তা চালু করেছে। এই পদ্ধতিতে অ্যাপলিকেশনে ঢোকার জন্য পাসওয়ার্ডের ব্যবহার করার পাশাপাশি মোবাইলে কোড তৈরি করে লিখতে হয়।
পাসওয়ার্ডের পরিবর্তে পিন: উইন্ডোজ ৮ এবং এর পরবর্তী সংস্করণগুলোতে হটমেইল/আউটলুক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে লগ–ইন করার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে সব সময় ব্যবহারের জন্য উইন্ডোজে এই পাসওয়ার্ডের পরিবর্তে পিন বিকল্প একটি পিন নম্বর সক্রিয় করা যেতে পারে।
পাসওয়ার্ড যেভাবে মনে রাখবেন: X@tdk>Hello2U! পাসওয়ার্ডটিও সব নিয়মন মেনে চলে, কিন্তু এখানে Hello পূর্ণ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। আগের পাসওয়ার্ডটি থেকে H3ll02U! বেশি কার্যকর।
মনে রাখা যায় এমন কিছু পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করা উচিত। যেমন জন্ম তারিখ, তবে সরাসরি ব্যবহার না করি কিছুটা পরিবর্তন করে ব্যবহার করা। যেমন September1ismybirthday এটি পরিবর্তন করে Sep,1sMbd হতে পরে। একইভাবে পছন্দের খেলা বা শখের কথাও কিছুটা পরিবর্তন করে পাসওয়ার্ডে ব্যবহার করা যেতে পরে। Ilovetoplaybadminton হতে পারেILuv2PlayB@dm1nt।
লেখক: সফটওয়্যার প্রকৌশলী

দুর্বল ও সর্বাধিক ব্যবহৃত পাসওয়ার্ডের তালিকা

123456
password
12345 7
12345678
123456789
1234
baseball
dragon
football
1234567
monkey
letmein
abc123
111111
mustang
access
shadow
master
michael
superman
696969
123123 2
batman
trustno 1


সুত্র: প্রথম আলো
সম্পূর্ণ পড়ুন

Tuesday, September 29, 2015

চাঁদপুর প্রতিদিন

গুগল ব্যবহারীদের জানা প্রয়োজন এমন ১০টি ইউআরএল সম্পর্কে জানুন কাজে লাগবে!!!

  চাঁদপুর প্রতিদিন      Tuesday, September 29, 2015     গুগল , টিপস এন্ড ট্রিকস      No comments   
বন্ধুরা আমার সালাম নিবেন। আশা করি পবিত্র ঈদুল আযহা বা কোরবানী ঈদ আপনাদের সকলের মহা-আনন্দের মধ্যে দিয়ে সময় অতিবাহিত হয়েছে। আর এই আনন্দকে আরো একধাপ বাড়িয়ে দিতে আপনাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি টিউন শেয়ার করছি। বন্ধুরা আপনারা যারা কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকেন তাদের জন্য বিশেষ করে আপনারা এই বিষয়গুলো জানা একান্ত প্রয়োজন। আজ আমি আপনাদের জন্য গুগলের গুরুত্বপূর্ণ কিছু সেবা সম্পর্কে ধারনা দিব। আর অনেকেই এমন আছেন যারা গুগল ছাড়া কিছু বোঝেনও না। আর আপনিও যদি হয়ে থাকেন একজন গুগলের ডাইহার্ড ফ্যান তবে আপনার জন্য আজ নিয়ে এলাম ১০টি এমন ইউআরএল যা আপনার কাজে আসবেই আসবে! চলুন তাহলে, শুরু করা যাক।


 জেনে নিন গুগলের সেরা ১০ টি সেবা সম্পর্কে যা আপনাদের কাজে লাগবে।


১। আপনি গুগল ক্রোম ব্যবহার করার সময় যে সকল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে থাকেন সেগুলো গুগল সংরক্ষণ করে রাখে। সেই পাসওয়ার্ড এবং ইউজার নেমগুলো আপনি চাইলেই গুগল থেকে সহজেই পেয়ে যাবেন। এর জন্য আপনাকে যেতে হবেhttp://passwords.google.com ইউআরএলটিতে।
২। আপনি যে সকল সাইটগুলোতে ভিজিট করে থাকেন সেই সাইটগুলোর উপর ভিত্তি করে আপনার একটি প্রোফাইল তৈরি করে থাকে। সেই প্রোফাইল এবং আপনার গুগল প্লাসের প্রোফাইলের উপত ভিত্তি করে গুগল আপনার বয়স, জেন্ডার, ইন্টারেস্ট সমূহ ইত্যাদি সংরক্ষণ করে রাখে সেই প্রোফাইলটিতে। আপনার প্রোফাইলটি দেখতে ভিজিট করতে পারেনhttps://www.google.com/ads/preferences ঠিকানায়।
৩। আপনি চাইলেই গুগল ইকোসিস্টেম থেকে আপনার সমস্ত তথ্য এক্সপোর্ট করতে পারবেন, গুগল এই সুবিধা প্রদান করে থাকে। আপনি খুব সহজেই আপনার গুগল ফটোস, কনট্যাক্ট, জিমেইল এমনকি আপনার ইউটিউবের ভিডিও (যদি থাকে) ফাইলগুলো পর্যন্ত আপনি ডাউনলোড করতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে যেতে হবে https://www.google.com/takeoutঠিকানাটিতে।
৪। আপনার নিজস্ব কনটেন্ট যদি আপনি অন্য কোন সাইটে দেখে থাকেন তবে আপনি খুব সহজেই DMCA কমপ্লেইন করতে পারবেন। যার জন্য আপনাকে যেতে হবে https://support.google.com/legal ঠিকানাটিতে।
৫। আপনি কি জানেন আপনি যেখানেই যান আপনার ডিভাইসটির মাধ্যমে গুগল আপনার লোকেশন সংগ্রহ করে? কথাটি সত্য না মিথ্যা জানতে ভিজিট করুন https://maps.google.com/locationhistory ইউআরএলটি।
৬। নির্ধারিত গুগল অ্যাকাউন্ট করার সময় আপনার অ্যাকাউন্টে ইউজার নেমের শেষে @gmail.com ব্যবহারিত হয়। তবে আপনি যদি https://accounts.google.com/SignUpWithoutGmail ইউআরএলটি থেকে অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করতে চান তাহলে গুগল ছাড়াই আপনি আপনার অ্যাকাউন্টটি ক্রিয়েট করতে পারবেন।
৭। গুগল এবং ইউটিউবে আপনি যে সার্চ টার্মই ব্যবহার করেন না কেন সেগুলো গুগল এবং ইউটিউব সংরক্ষণ করে রাখে। এছাড়াও কোন ওয়েবসাইটে যদি আপনি গুগলের অ্যাডগুলোতে ক্লিক করে থাকেন তবে সেই লগও গুগল সংরক্ষণ করে রাখে। তাই কি কি করেছেন যদি দেখতে চান তবে নিচের ইউআরএলগুলো কাজে আসবে।
https://history.google.com
https://history.google.com/history/audio
https://www.youtube.com/feed/history
৮। গুগলের টার্মস এবং কন্ডিশন অনুযায়ী আপনি যদি আপনার জিমেইল অ্যাকাউন্টে প্রতি ৯ মাসে একবার করে লগইন না করে থাকেন তবে আপনার অ্যাকাউন্টটি মুছে ফেলা হবে। এটি মূলত সমস্যা করে তাদের যাদের একের অধিক জিমেইল অ্যাকাউন্ট আছে। আপনারও যদি এরকম থাকে তবে আপনার প্রাইমারী মেইল অ্যাকাউন্টটিকে সেকন্ডারি মেইল অ্যাকাউন্টগুলোর ট্রাস্টেড কনট্যাক্ট হিসেবে যুক্ত করতে পারেন। ফলে, গুগল আপনার প্রাইমারী অ্যাকাউন্টে রিমাইন্ডার পাঠাতে থাকবে।
https://www.google.com/settings/account/inactive
৯। আপনার গুগল অ্যাকাউন্টে কেউ ঢুকছে কিনা সে বিষয়ে চিন্তিত? আপনি কিন্তু খুব সহজেইhttps://security.google.com/settings/security/activity ইউআরএলটির সাহায্যে আপনার অ্যাকতিভিটি লগ চেক করতে পারেন যেখানে কোন কোন ডিভাইস থেকে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করা হয়েছিল এবং কোন কোন আইপি ব্যবহার করেছিল ফোনগুলো সেই তথ্য আপনি খুব সহজেই জানতে পারবেন।
১০। আপনি এ পর্যন্ত কোন কোন অ্যাপলিকেশনগুলোকে আপনার আক্যাউন্টে পারমিশন দিয়েছিলেন মনে নেই?https://security.google.com/settings/security/permissions এই ইউআরএলটি খুব সহজেই আপনাকে মনে করিয়ে দিতে সক্ষম।

সুত্র বা ক্রেডিট : টেকটিউনস

তাহলে আজ বন্ধুরা এই পর্যন্ত। আপনাদের সকলের সুস্থ্যতা কামনা করে আজকের মত বিদায় নিলাম। আল্লাহ হাফেজ। 

ট্যাগ : help, টিপস এন্ড ট্রিকস, ডাউনলোড
সম্পূর্ণ পড়ুন

Tuesday, August 4, 2015

চাঁদপুর প্রতিদিন

আপনার ব্যবহারিত ব্যাটারী যেভাবে নজরদারী করার সুযোগ করে দেয়। [মেগা টিউনস]

  চাঁদপুর প্রতিদিন      Tuesday, August 4, 2015     টিপস এন্ড ট্রিকস      No comments   
আমার সালাম নিবেন। আশা করি আপনারা সকলে আল্লাহতালার অশেষ রহমতে এই সুন্দর পৃথিবীতে ভাল আছেন। আর আমিও আপনার দোয়া ও ভালবাসায় সিক্ত হয়ে প্রযুক্তির তাপদাহে মোটামুটি ভাল আছি। বন্ধুরা আপনারা হয়তো বা টিউন শিরোনাম দেখে ভয় পেয়ে গেছেন। কিন্তু ভয় পাওয়া কোন কারণ নাই। আজ আমি আপনাদের ব্যাটারী ব্যবহার সম্পর্কে অবগত করবো। তো শুরু করা যাক। তাহলে নিচ থেকে বিস্তারিত জানুন। দেখুন তাহলে। 





জেনে নিন আপনার ব্যবহারিত ব্যাটারী নজরদারী করবেন?


মোবাইল ফোন বা ল্যাপটপের ব্যাটারিতে কতটুকু চার্জ অবশিষ্ট আছে সে তথ্য কাজে লাগিয়ে ব্যবহারকারীর অবস্থান নির্ণয়সহ তার ওপর অনলাইনে নজরদারি করা সম্ভব। সম্প্রতি ফ্রান্স ও বেলজিয়ামের চারজন গবেষক এই বিষয়টি প্রমাণ করেছেন। দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গবেষকেরা বলছেন, ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কনসোর্টিয়াম নির্ধারিত ওয়েবসাইট পড়ার ভাষা এইচটিএমএল ৫ এর একটি সফটওয়্যার কাজে লাগিয়ে ব্যবহারকারীর তথ্য বের করে আনা যায়।
এইচটিএমএল ৫ এ লেখা ওয়েবসাইট ও স্ক্রিপ্ট ব্যবহারকারীর ফোনে কতটুকু চার্জ আছে তা জানতে অনুমতি নেয় না। বিশেষভাবে লেখা স্ক্রিপ্ট থেকে অনুরোধ পেলে ফোন থেকে তথ্য দেখানো শুরু করে। এই তথ্য কাজে লাগিয়ে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা ভেঙে ফেলা সম্ভব।
গবেষকেরা সতর্ক করে বলেছেন, ব্যাটারি থেকে সংগৃহীত তথ্য অনলাইন ব্রাউজকারীকে নজরদারির জন্য ব্যবহার করা যায়। এর ফলে যাঁরা ব্রাউজারে পরিচয় গোপন রেখে ব্রাউজ করেন তাঁদেরও সহজে বের করা সম্ভব। এমনকি তাঁরা কোথায় অবস্থান করছেন সেটিও এর মাধ্যমে জানা যায়।
ওয়েবের মান নির্ধারণী প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কনসোর্টিয়াম (ডব্লিউথ্রিসি) ওয়েবসাইটগুলোকে ব্যবহারকারীর অজান্তেই ব্যাটারি তথ্য জানার সুযোগ করে দেয়। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডব্লিউথ্রিসির দাবি, মোবাইল ডিভাইস থেকে অনলাইন ব্যবহারকারীকে নজরদারি করার জন্য এটা কোনো দরকারি তথ্য নয়। তবে গবেষকেদের দাবি, যখন ফোন ফোনের চার্জের তথ্য যখন হাতিয়ে নেওয়া হয় তখন ওই ব্যবহারকারীকে নিখুঁতভাবে শনাক্ত করা সম্ভব। যদি ব্রাউজার কেস ও কুকি পরিষ্কার করা হয় কিংবা ভারচুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (ভিপিএন) ব্যবহার করে ব্রাউজ করা হয় তারপরও এই ঝুঁকি থেকে যায়।
এইচটিএমএলের এই ফিচারটি অবশ্য সব ব্রাউজারে সমর্থন করে না। তবে ফায়ারফক্স, ক্রোম ও অপেরার মতো ব্রাউজারে এটি সমর্থন করে।
গবেষকেরা বলছেন, এই সমস্যা থেকে মুক্তির পথ হচ্ছে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবকে তাদের মান পরিবর্তন করতে হবে আর তা না হলে ইন্টারনেটে থাকলেই ব্যবহারকারী যতই ইনকগনিটো বা প্রাইভেসি সুরক্ষা ব্যবহার করুন না কেন তাকে সহজে খুঁজে বের করা যাবে।

তাহলে আজকের মত এখান বিদায়। আর টিউনটি কেমন হয়েছে জানাবেন। আল্লাহ হাফেজ। 

সূত্র: প্রথম আলো
সম্পূর্ণ পড়ুন

Saturday, August 1, 2015

চাঁদপুর প্রতিদিন

৯০ হাজার ফুট উঁচু থেকে ফেসবুকের ইন্টারনেট!

  চাঁদপুর প্রতিদিন      Saturday, August 1, 2015     টিপস এন্ড ট্রিকস      No comments   
বিশ্বের প্রত্যন্ত ও ইন্টারনেট সুবিধাবঞ্চিত অঞ্চলের মানুষকে ইন্টারনেট সুবিধার আওতায় আনতে ড্রোন বা চালকবিহীন বিমানের সাহায্যে ইন্টারনেট সুবিধা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে ফেসবুক। এ ধরনের ড্রোন থেকে ৯০ হাজার ফুট উঁচু থেকে লেজার বিমের মাধ্যমে ইন্টারনেট সুবিধা পাওয়া যাবে। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলছে, এই চালকবিহীন বিমান দিয়ে ইন্টারনেট সুবিধা চালু করার প্রক্রিয়াটি পরীক্ষামূলক পর্যায়ে চলে এসেছে। এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।



ফেসবুকের দাবি, তাদের অ্যাকুইলা ড্রোনের পাখার দৈর্ঘ্য বোয়িং ৭৩৭ এর চেয়ে বেশি। এর ওজন একটি ছোট গাড়ির চেয়েও কম। এক টানা তিন মাসেরও বেশি সময় এটি সৌরশক্তির সাহায্যে ৬০ থেকে ৯০ হাজার ফুট পর্যন্ত আকাশে উড়তে পারে।
ফেসবুকের প্রধান কার্যালয় ক্যালিফোর্নিয়ার এক সম্মেলনে ফেসবুকের ড্রোন প্রকল্পের প্রকৌশল পরিচালক ইয়েল ম্যাগুয়ার বলেন, লেজার বিমের মাধ্যমে উচ্চ গতির তথ্য সংযোগের ক্ষেত্রে তারা বিশেষ একটি মাইলফলক ছুঁতে পেরেছেন যা বর্তমান সময়ে অধিকাংশ ইন্টারনেটের গতির চেয়ে বেশি। যে সব অঞ্চলে ইন্টারনেট প্রয়োজন সেখানে এই ড্রোন এনে ইন্টারনেট সুবিধা দেওয়া যাবে।
ফেসবুকের গ্লোবাল প্রকৌশল ও অবকাঠামোর প্রকল্পের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে পারিখ এক ব্লগ পোস্টে জানিয়েছেন, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে নতুন ধরনের প্রযুক্তির উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করা যাতে ইন্টারনেট অবকাঠামোর বাস্তবায়নের ফলে অর্থনীতিতে দ্রুত পরিবর্তন আসতে পারে। আমার এই চ্যালেঞ্জ নিতে কয়েকটি ভিন্নধর্মী পদক্ষেপ নিয়ে এগোচ্ছি যার মধ্যে রয়েছে ড্রোন, কৃত্রিম উপগ্রহ ও মহাকাশ থেকে ইন্টারনেটের সুবিধা।
ফেসবুক প্রকৌশলীদের এই মন্তব্য শুনলে স্বভাবতই প্রশ্ন উঠবে যে, ফেসবুক কী তবে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হতে যাচ্ছে? ফেসবুকের কর্মকর্তারা বলছেন, ইন্টারনেটে সেবাদাতা বা টেলিকম অপারেটর হওয়ার কোনো লক্ষ্য নেই ফেসবুকের। বরং অন্যান্য অপারেটরদের বা ফেসবুকের সহযোগীদের কাছে প্রযুক্তি সুবিধা পৌঁছে দিতেই এই লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে ফেসবুক।
পারিখ বলেন, অ্যাকুইলা ড্রোন তৈরির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। যুক্তরাজ্যের আকাশে এটি এখন পরীক্ষা করে দেখার জন্য প্রস্তুত। এই ড্রোন থেকে যে লেজার রশ্মি ফেলা হবে তা ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ইন্টারনেট সুবিধার আওতায় আনতে পারবে। এই লেজার পদ্ধতিটি ইতিমধ্যে পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে এবং তা সফল হয়েছে।
পারিখ দাবি করেন, ফেসবুকের ড্রোন প্রকল্প সফল হলে তাতে আকাশে এ ধরনের ড্রোনের একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করা যাবে এবং তা দিয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইন্টারনেট সুবিধা দেওয়া সম্ভব হবে।
এ প্রকল্পটি কার্যকর হবে এমন দাবি করে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিশ্বের ১০ শতাংশের বেশি মানুষ ইন্টারনেট অবকাঠামো বঞ্চিত প্রত্যন্ত অঞ্চলে বাস করছে। এসব অঞ্চলে তার টানা বা প্রচলিত পদ্ধতিতে নেটওয়ার্ক টাওয়ার স্থাপন ব্যয়বহুল।
ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ অ্যাকুইলা নিয়ে ফেসবুকে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন যাতে অনেকে লাইক দিয়েছেন, মন্তব্য করেছেন। জাকারবার্গ লিখেছেন, তাঁর টিম প্রথম পরিপূর্ণ অ্যাকুইলা ড্রোন তৈরি করায় তিনি রোমাঞ্চিত। জাকারবার্গের এই ভিডিও পোস্ট করার পর এ নিয়ে যেমন অনেকে প্রশংসা করেছেন তেমনি অনেকে এর অপব্যবহার নিয়ে আশঙ্কার কথাও জানিয়েছেন। এই ড্রোন নজরদারিতে কিংবা কম্পিউটারে ক্ষতিকর ভাইরাস ছড়াতেও ব্যবহার হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন অনেকেই।
ফেসবুকের কানেকটিভিটি ল্যাব এই ড্রোন প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত। কানেকটিভিটি ল্যাব হচ্ছে ফেসবুক গৃহীত মানুষকে বিনা মূল্যে ইন্টারনেট সুবিধা দেওয়ার প্রকল্প ইন্টারনেট ডট ওআরজির একটি অংশ।

সূত্র: প্রথম আলো
সম্পূর্ণ পড়ুন
চাঁদপুর প্রতিদিন

আপনার পিসিতে ইন্টারনেট সংযোগের সমস্যা দেথে নিন কি করবেন।

  চাঁদপুর প্রতিদিন      Saturday, August 1, 2015     টিপস এন্ড ট্রিকস      No comments   
বন্ধুরা আমার সালাম নিবেন। আশা নয় বিশ্বাস করি আপনারা সকলে ভাল আছেন। বন্ধুরা আমরা যারা সর্বদা প্রযুক্তির সাথে জড়িত আছি। কিন্তু প্রতিনিয়ত নানা ধরনের সমস্যায় পড়তে হয়। তাই আবার প্রতিনিয়ত নানা ভাবে সেই সমস্যার সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করি। এমনকি যদি আপনি ইন্টারনেটে কাজ করছেন। এমন সময় আপনার পিসির নেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। যদি এই ঘটনা বাবংবার হতে থাকে তাহলে তো মন আর ভাল থাকে না। বন্ধুরা আর বিস্তারিত নয়। এবার তাহলে দেখে নিন কি করবেন। 



উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে অনেক কারণেই ইন্টারনেট সংযোগে হঠাৎ সমস্যা দেখা দিতে পারে। সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। এমন হলে কী করবেন?

আইপি ঠিকানায় সমস্যা হলে: 

কাজ বন্ধ হয়ে গেলে IPConfig-এর মাধ্যমে TCP/IP network configuration-এর বর্তমান অবস্থা দেখে DHCP I DNS সেটিংসকে রিফ্রেশ করতে হবে। এটি করতে উইন্ডোজ ৭ বা ৮ অপারেটিং সিস্টেমের স্টার্ট মেনুতে cmd লিখে Ctrl + Shift + Enter চাপুন। কমান্ড প্রম্পট এলে এখানে ipconfig লিখে Enter করলে ইন্টারনেট প্রটোকলের বর্তমান অবস্থা প্রত্যক্ষ করা যাবে। আবার ipconfig/release লিখে এন্টার করলে বর্তমান আইপি ঠিকানা মুক্ত হবে। তারপর আবার ipconfig/renew লিখে এন্টার করলে নতুন আইপি ঠিকানা পাওয়া যাবে। যদি এই কমান্ড চালালে সমস্যা দেখা দেয় তাহলে আবার Ipconfig/Renew লিখে এন্টার করুন। ওপরের কমান্ডগুলো চালানোর পর সমস্যা থেকে গেলে স্টার্ট মেনুতে notepad লিখে এন্টার করুন। এখানে প্রথম লাইনে ipconfig/release লিখে এন্টার করুন।
দ্বিতীয় লাইনে আবার ipconfig/renew লিখে নোটপ্যাডের File-এ গিয়ে Save as চাপুন। iprenew.bat নামে ফাইলটি ডেস্কটপে সেভ করে নিন। এবার যখনই সমস্যা হবে এই ফাইলে দুই ক্লিক করলে সমস্যা সমাধান হবে।

ডিএনএস ক্যাশে সমস্যা হলে: 

ডিএনএস ক্যাশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে ঘন ঘন ইন্টারনেট সংযোগে সমস্যা দেখা দেয়। রিসেট বা ফ্ল্যাশ করে ক্যাশের এই সমস্যাকে দূর করা যায়। আগের চালু থাকা কমান্ড প্রম্পটের বক্সে ipconfig/flushdns লিখে এন্টার করুন। Successfully flushed the DNS Resolver Cache বার্তা দেখিয়ে নিশ্চিত করবে। পরেরবার ipconfig/registerdns লিখে আবার এন্টার করুন। হোস্ট ফাইলে যেকোনো প্রোগ্রামের ডিএনএস রেকর্ড হয়ে যাবে এবং ডিএনএস ক্যাশের সমস্যা দূর হবে।
নেটওয়ার্ক টুল দিয়ে মেরামত: 
 উইন্ডোজ ৭ বা ৮-এর নেটওয়ার্ক সম্পর্কিত যেকোনো সমস্যা নানা ধাপে ঠিক করতে উইন্ডোজেই তার সমাধান আছে। এ জন্য Control Panel থেকে Network & Sharing Center-এ যাবেন। এর নিচে Troubleshoot Problems-এ ক্লিক করে পরের পর্দার Internet Connection-এ ক্লিক করতে হবে। এভাবে পরবর্তী ধাপ অনুসরণ করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নেটওয়ার্কে সমস্যা খুঁজে নিয়ে তার সমাধান করা যাবে।
সম্পূর্ণ পড়ুন

Monday, June 22, 2015

চাঁদপুর প্রতিদিন

গুগল সম্পর্কে অজানা কিছু তথ্য জানা না থাকে আজই জেনে নিন?

  চাঁদপুর প্রতিদিন      Monday, June 22, 2015     খবর , গুগল , টিপস এন্ড ট্রিকস      6 comments   
আন্ধুরা আমার সালাম নিবেন। আশা নয় মনে প্রাণে বিশ্বাস করি আপনারা সকলে সিয়াম সাধনার মাসে আল্লাহ রহমতে ভালই আছেন। আর আমি আপনাদের ভালবাসা নিয়ে সিয়াম সাধনার মাসে খুব ভা্ল আছি। বন্ধুরা আপনারা হয় তো পোষ্ট টাইটেল দেখে ভয় পেয়েছেন। কিন্তু ভয় পাওয়ার কোন কারণ নাই কেননা আপনারা সকলে গুগল সম্পর্কে আগ থেকে কম আর জানেন। আপনারা যারা ইন্টারনেট নিয়ে সর্বদা কাজ করে থাকেন। আমরা সহজে বুঝি গুগল হলো একটা বৃহৎ সার্চ ইঞ্জিন। আসলে কথাটি সত্য। কিন্তু এর বাহিরে আরো অনেক তথ্য গোপন থেকে যায়। আর আমি আজ আপনাদের সেই বিষয়টি জানাবো। তো শুরু করা যাক। 






ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা সকলেই গুগল এর সাথে পরিচিত।বর্তমানে বিশ্বে যতগুলো সার্চ ইঞ্জিন আছে   তাদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিনহলো Google।
বর্তমানে গুগলকে ইন্টারনেট এর রাজা বললেও কম হবে।যুক্তরাষ্ট্রের  ক্যালিফোর্নিয়ার মাউনটেইন ভিউ শহরে অবস্হিত গুগলের প্রধান কার্যালয় ।মানুষের কাছে তথ্য সহজলভ্য করতে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের এই জনপ্রিয়  প্রতিষ্ঠানটি।গুগল একসঙ্গে এত বিষয় নিয়ে কাজ করে যে সবকিছুর হিসাব রাখাই কঠিন।
চলুন, আর কথা না বাড়িয়ে মূল কথায় আসা যাক।



গুগলের প্রতিষ্ঠাতা হলেন স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দুজন ছাত্র ল্যারি পেজ ও  সার্গেই ব্রিন।প্রতিনিয়ত নতুন সেবা,নতুন পণ্য দিয়ে বিশ্বে নিজেদের প্রয়োজনীয়তা বাড়িয়ে তুলছে গুগল।বিজ্ঞাপন জগতে নিজেদের অবস্হান করেছে সুদৃঢ়।এছাড়া বিভিন্ন কোম্পানী কিনে এবং অংশীদারিত্ব নিয়ে নিজেদের বহুমুখীতা সমৃদ্ধ করছে।তাইতো সার্চ এর পাশাপাশি ই-মেইল,ভিডিও শেয়ারিং,সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং ইত্যাদি বিষয়ে গুগলের সেবা রয়েছে। 


গুগলের ওয়েবসাইট অনুযায়ী,গুগলের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ''বিশ্বের যাবতীয় তথ্য সুবিন্যস্ত করা এবং সেগুলো সর্বসাধারণের জন্য উপযোগী করে প্রকাশ করা''।সময়ের সাথে নিত্যনতুন পণ্য ও সেবা যোগ করে নিজেদের আকার ও উপযোগীতা বাড়িয়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে।

 ১৯৯৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর  এক বন্ধুর গাড়ির গ্যারেজে ক্যালিফোর্নিয়ার মেনলো পার্কে গুগলের যাত্রা  শুরু হয় তখন দুই বন্ধুর টাকা ছাড়াও এই সময়ে তাঁদের  পাশে দাঁড়ান সান মাইক্রো সিস্টেমের সহ-প্রতিষ্টাতা এন্ডি বেথটোশেইম।কোম্পানী হওয়ার আগেই তিনি পেজ আর ব্রিনকে এক লাখ ডলার দেন।পরের বছর জুন মাসে দুটি ভেঞ্চার ক্যাপিটেল কোম্পানি গুগলকে আড়াই কোটি (২৫ মিলিয়ন ) ডলার বিনিয়োগ করে।আর ২০০৪ সালে ৮৫ ডলারে গুগল শেয়ার বাজারে তাদের শেয়ার ছেড়ে দুই হাজার ৩০০ কোটি ডলার জোগাড় করে।
বিনিয়োগকারীরা যে ভুল করেনি,তার প্রমাণ হলো মাত্র তিন বছরের মাথায় এর প্রতিটি শেয়ারের মূল্য দাঁড়ায় ৭০০ ডলারে।
 ২০০৪ সালে সার্চ ইনডেক্স নম্বর ৬০০ কোটির সীমানা অতিক্রম করে,যেখানে ৪২৮ কোটি ওয়েবসাইট ও ৮ দশমিক ৮ কোটি ছবি ছিল।প্রথমে অর্কুট নামে চালু করা হয়।এপ্রিলের ১ তারিখে জি-মেইল চালু হয়।তবে সে সময় অ্যাকাউন্ট তৈরী করতে হলে অন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে আমন্ত্রণ পেতে হতো।শেয়ার বাজারে গুগল তার শেয়ার ছাড়ে।বিশ্বের বিভিন্ন স্হানে গুগল তার অফিস চালু করে।

শেয়ারমূল্যের দিক থেকে মাইক্রোসফটকে পেছনে ফেলেছে গুগল।বর্তমানে গুগলের মোট শেয়ারের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২৪৯.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আর অন্যদিকে মাইক্রোসফট এর শেয়ারমূল্য ২৪৭.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।অবশ্য দুটি প্রতিষ্টানই অ্যাপলের থেকে অনেক পিছিয়ে আছে।বর্তমানে অ্যাপলের মোট শেয়ারের মূল্য ৬১৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি।সার্চ ইঞ্জিন,অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম এবং ইউটিউব এর মাধ্যমে বাজারে নিজেদের শেয়ারমূল্য অনেকটাই বাড়িয়ে নিতে সক্ষম হয়েছে গুগল।
জুন ২০০০ সালে গুগল বিশ্বের সেরা সার্চ ইঞ্জিন হিসাবে পরিচিতি লাভ করে।

জুন ২০০৬ সালে অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারী গুগল কে VERB হিসাবে যুক্ত করে।

গুগলের সহ- প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ ও সার্গেই ব্রিন  বর্তমানে প্রতিষ্টানটির মাত্র ১৬ শতাংশের মালিক।

২০১০ সালে গুগলের মোট সম্পত্তি ছিল ৫৭.৮৫১ বিলিয়ন ডলার।

প্রায় ১৬,০০০ লোকের কর্মসংস্হান জুগিয়েছে এই গুগল।গুগলের মোট আয় হচ্ছে ২.০৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার(২০০৬),প্রতিনিয়তই গুগল সমৃদ্ধ করছে তাদের তথ্য ভাণ্ডার।বর্তমানে গুগলের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে।
জানুয়ারি ২০০৩ সালে আমেরিকান ডিয়ালেক্ত  সোসাইটি গুগলকে সবচাইতে প্রয়োজনীয় শব্দ হিসেবে ভোট দেয়।
সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে যাত্রা শুরুর পর গুগল কে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।শুরুতে সার্চ ইঞ্জিন হিসেবেই বিশ্ববাসীর কাছে অপ্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে গুগল।১৯৯৮ সালে যাত্রা করা প্রতিষ্ঠানটি ২০০০ সালের জুলাই মাসেই ১০০ কোটি ওয়েবপেজের ইনডেক্স তৈরীতে সমর্থ হয়।২০১১ সালের মে মাসে প্রথমবারের মতো একমাসে ১০০ কোটি অনন্য ব্যবহারকারী গুগল ব্যবহার করেন।২০১২ সালে ''গুগল'' এর রাজস্ব আয় ছাড়িয়ে যায় ৫ হাজার কোটি ডলার।

প্রথম গুগল প্রতি সেকেন্ডে মাত্র ৩০-৫০ টি পেজ এনালাইজ করতে পারত।কিন্তু এখন কয়েক মিলিয়ন।

পেজ & ব্রিন গুগলকে "What Box" বলে ডাকত।তাছাড়া ব্রিন "Wet Box" বলেও  ডাকত।যা সাধারনত বুঝাত কোন এক কবিতার মতো।

এলেক্সা(Alexa) অনুযায়ী গুগল হলো পৃথিবীর সবচাইতে বেশি ভ্রমণকৃত ওয়েবসাইট।

গুগলের Search Index এর আকার ১০ কোটি গিগাবাইটেরও বেশি।কেউ যদি ব্যাক্তিগতভাবে এই তথ্য (Information) জমা রাখতে চান,তবে তাঁর এক টেরাবাইট(TB) আকারের এক লাখ হার্ডড্রাইভের দরকার হবে।
গুগল সার্চ ইঞ্জিন অপারেটিং এর জন্য ১ বিলিয়ন সার্চ অনুসন্ধানের প্রেক্ষিতে ১ মিলিয়ন কম্পিউটার ব্যবহার করা হয় তাও আবার প্রতিদিন।


স্টিভ জবস তাঁর মূত্যুর ১ বছর পূর্বে গুগলের বিরুদ্ধে একটি পবিত্র যুদ্ধে নামার ঘোষনা দিয়েছিলেন তার কারণ ছিল বর্তমান বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম "Android" চালু করা।
আপনি যতই লুকানোর চেষ্টা করেননা কেন ,গুগলের কাছ থেকে তা করা অসম্ভব।গুগল আপনাকে খুঁজে বের করবেই।
প্রাথমিকভাবে পেজ এবং ব্রিন তাঁদের কোম্পানীর নাম রাখেন "ব্যাকরাব"।পরবর্তীতে এই নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় "গুগল"।
তবে আজ আমরা যেই গুগলকে চিনি ও জানি যদি ভুল না হতো তাহলে সেটি আজ আমাদের কাছে "GOOGOL" নামেই পরিচিত পেত।
পরিকল্পনা গ্রহণের ঠিক পরের বছর অর্থাৎ ১৯৯৭ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর পেজ এবং ব্রিন গুগল ডট কম (Google.com) নামে একটি ডোমেইন (Domain) নিবন্ধন করেন।কিন্তু তাঁরা যেই ডোমেইনটি নিবন্ধন করতে চেয়েছিলেন সেটি না হয়ে ভুলবশঃত নিবন্ধিত হয় "Google" নামে।এ নিয়ে অবশ্য সে সময় তাঁরা খুব মনোকষ্টে ভুগেন।  "Google" শব্দের মানে যেটা দাঁড়ায় সেটা হলো এমন একটা অংক যেটা ১০ এর উপর একশ পাওয়ার! 10^100=10,000,000,000,000,000,000,000,000,000,000,000,000,000,000,000,000,000,000,000,000, 000,000,000,000,000,000,000,000,000,000,000,000,000.
গুগলে প্রতি সেকেন্ডে ২০ লাখেরও বেশি সার্চ হয়।
 বিশেষ বিশেষ দিবস উপলক্ষে গুগল তাদের লোগো (Logo) পাল্টে ফেলে।আর এই পাল্টে ফেলা বিশেষ লোগোর নাম "ডুডল"।এখন পর্যন্ত গুগল ১৯০০ এর বেশি ডুডল প্রকাশ করেছে।১৯৯৮ সালের 'বার্নিং ম্যান ফেস্টিভ্যাল'-এর জন্য প্রথম ডুডলটির ডিজাইন করেন গুগলের দুই প্রতিষ্ঠাতা পেজ ও ব্রিন।তবে বর্তমানে লোগোর ডিজাইন করার জন্য গুগলের একটি বিশেষ টিম রয়েছে,এই টিমের সদস্যদের ডাকা হয় 'ডুডলার' নামে।
ল্যারি পেইজ ও সের্গেই ব্রিন মিলে ১৯৯৮ সালের আগস্ট মাসে প্রথম ডুডল তৈরী করেন।'তাঁরা অফিসের বাইরে আছেন এবং এ সময় কারিগরি কোনো ত্রুটির সমাধান করা যাবে না'----এই বার্তা ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছানোর জন্য প্রথম ডুডলটি তৈরী হয়।
 স্ট্রিট ভিউ ম্যাপের জন্য গুগল এখন পর্যন্ত ৫০ লাখ মাইল রাস্তার ছবি তুলেছে।

শুধু গত বছর গুগল ২৪ টি প্রতিষ্ঠানকে কিনে নিয়েছে।অর্থাৎ প্রতি মাসে গড়ে ৩ টি প্রতিষ্ঠান কিনেছে গুগল।



গুগলের আরেকটি অন্যতম ভিডিও সেবা হচ্ছে ইউটিউব(Youtube)।ইউটিউবে প্রতিমাসে 600 কোটি ঘন্টারও বেশি ভিডিও দেখা হয়।
গুগলে যখন কোনো বিষয়ে সার্চ দেওয়া হয় তখন আমরা খুবই দ্রুত ফল দেখতে পাই।কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে এই ফলাফল দেখানোর পূর্বে/আগে গুগল কমপক্ষে ২০০ টি বিষয় বিবেচনা করে,তবেই তা প্রদর্শন করে।
২০১১ সালের ১লা ফেব্রুয়ারী গুগলে রেকর্ড সংখ্যক ৭৫ হাজার চাকুরীর আবেদন জমা পড়ে মাত্র ৬০০০ কোঠার প্রেক্ষিতে।
গুগলের হোমপেজে / প্রধান পাতায় অর্থাৎ  Google.com এ কোন বিজ্ঞাপন রাখা হয়না।যদি গুগল সেখানে বিজ্ঞাপন দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে তবে তার জন্য বিজ্ঞাপনদাতারা কমপক্ষে 10 মিলিয়ন ইউ.এস.ডলার দিত!
গুগলের আয়ের ৯৯ শতাংশ আসে বিজ্ঞাপন থেকে।

 ক্যালিফোর্নিয়ার গ্যাজলিং নামের এক প্রতিষ্ঠান থেকে গুগল প্রতিবছর ছাগল ভাড়া করে থাকে!ছাগলের কথা শুনে হয়তো অবাক হয়ে গেছেন নিশ্চই!!!আসলে এর পেছনে রয়েছে এক চমকপ্রদ কারণ???এই ভাড়া করা ছাগল গুলির কাজ হচ্ছে গুগল হেডকোয়ার্টার এর পাশে জমে যাওয়া আগাছা ও ঘাস সাবাড় করা।ঘাস কাটার কাজে গুগল পরিবেশ সচেতনই বটে।
বর্তমানে গুগলের মূল্য/দাম ৪০০ বিলিয়নেরও বেশি।কিন্তু ১৯৯৯ সালেই গুগলকে বিক্রি করে দিতে চেয়েছিলেন দুই প্রতিষ্ঠাতা।তখন দাম উঠেছিল মোট ১ মিলিয়ন ডলার!ভাগ্যিস শেষ পর্যন্ত মনে আর সায় দেয়নি ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিনের।

গুগল এর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাগুলি বেশ উচ্চাকাঙ্খী বলতে হয়।২০২০ সালের মধ্যে সারা পৃথিবীর প্রায় ১২৭ মিলিয়ন বই স্ক্যান করে নিজস্ব ডেটাবেইসে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছে গুগল।তাছাড়া তাঁরা এমন একটি কম্পিউটার বানানোর চেষ্টা করছে,যেটি নিজেই প্রোগ্রাম লিখতে পারবে।বুদ্ধিমান কম্পিউটার বুঝি একেই বলে।

গুগল এর হোমপেজ দেখা যায় প্রায় ৯০টি ভাষায়।এর ভেতর কিছু অদ্ভুত ভাষাও আছে।যেমন জনপ্রিয় মুভি সিরিজ স্টারট্রেক-এ ব্যবহৃত "ক্লিংওন" ভাষা কিংবা দ্যা ম্যাপেট সিনেমায় ব্যবহৃত "বর্ক  বর্ক বর্ক " ভাষা

গুগল সারা পৃথিবীতে বিভিন্ন ডেটা সেন্টারে প্রায় এক মিলিয়ন সার্ভার চালায়।এক বিলিয়নের ওপর সার্চের অনুরোধ এবং প্রায় ২৪ পেটাবাইট ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করে।

২০০৬ সালে কোম্পানিটি যখন মাউন্ট ভিউতে স্হানান্তরিত হয়,তখন থেকেই এটি সবদিকে বাড়তে শুরু করে।তথ্য খোঁজার পাশাপাশি বর্তমানে ই-মেইল,সামাজিক নেটওয়ার্কিং ,অফিস প্রোডাক্টিভিটি প্রভৃতি বিষয়ে গুগল এর সেবা রয়েছে।প্রতিদিন নতুন নতুন প্রযুক্তি আর পণ্য দিয়ে গোটা ভূগোলের চেহারা পাল্টে দিচ্ছে গুগল।

২০০৭ সালে বিশ্বের প্রভাবশালী ফোবস ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয় ''আমেরিকাতে কাজের সেরা জায়গা গুগল'' নামক প্রতিবেদন।

গুগলে একটি '' Chief Culture Officer'' পদ আছে।তাঁর কাজ হলো নতুন নতুন সংস্কৃতি তৈরী করা এবং গুগলের কর্মকর্তাদের সবসময় আনন্দে ও খুশিতে রাখা।

 গুগল যখন প্রথম পথ চলা শুরু করে তখন টুইটারে তাঁদের প্রথম টুইট ছিলোঃ
I’m 01100110 01100101 01100101 01101100 01101001 01101110 01100111 00100000 01101100 01110101 01100011 01101011 01111001 00001010
যেটার মানে হলোঃ I'm Feeling Lucky এবং সেটি প্রকাশিত হয়েছিল ফেব্রুয়ারী ২০০৪ সালে।

গুগল এর সদস্যদের ডাকা হয় ''Googler" কিন্তু যখন কোন নতুন সদস্য যোগ দেয়,তাকে ডাকা হয় "Noogler" ।

1998 সালে স্ট্যানফোর্ডের PHD ছাত্র হিসেবে থাকার সময় পেজ এবং ব্রিন কাজ করছিলেন Digital Library Project নিয়ে।Page Rank Algorithm নিয়ে কাজ করার জন্য তাদের World Wide Web এ বেশ বড় পরিমাণের ডিস্ক স্পেসের দরকার ছিলো।কিন্তু তখন সবচেয়ে বড় হার্ডডিস্ক ড্রাইভের মেমোরি সাইজ ছিল ৪ গিগাবাইট (GB) ।তাই তারা কম দামে লেগো সেট দিয়ে বানানো একটি কেবিনেটে ১০টি হার্ডড্রাইভের   সমাবেশ ঘটান।


ধরুন,আপনি Google.Com লিখতে গিয়ে ভুল করে লিখে ফেললেন gogle.com কিংবা gooogle.com কিংবা googlr.com ।কি ঘটবে তাহলে???অন্য কোন ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস লিখতে গিয়ে ভুল করে থাকলে হয়তো বলা যেত  যে আপনাকে Server Not Found ম্যাসেজ দেখাবে।কিন্তু গুগল এর ক্ষেত্রে কোন চিন্তা নেই।কারণ গুগল ইংরেজীতে লিখতে গিয়ে আমরা ভুল করে অন্য কি লিখতে পারি,সেগুলো মাথায় রেখে সেই ডোমেইনগুলোও কিনে রেখেছে গুগল।ফলে আপনি যদি উপরে উল্লেখিত ভুলগুলি করে থাকেন , তাহলেও আপনার সামনে হাজির হবে গুগল।এছাড়া আপনি যদি 466453.com এ প্রবেশ করেন,তাহলেও আপনি গুগলকেই পাবেন।কিভাবে???????আপনার মোবাইলের/ফোনের কীপ্যাড খুঁজে দেখুন 466453 এবং Google এর মধ্যে কোন মিল খুঁজে পান কিনা।
তো আজ আর না।পোস্ট টি ভালো লাগলে শেয়ার ও মন্তব্য করবেন। এই পোস্ট যদি কোন ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমার চোখে দেখবেন। 
[ বি:দ্র: পোষ্টটি কপি পেষ্ট করা।]
 সংগ্রহ: Awesometips24
সম্পূর্ণ পড়ুন

Friday, April 17, 2015

চাঁদপুর প্রতিদিন

আপনি কিভাবে মজিলা ব্রাউজার লোকালাইজেশনে অবদান রাখবেন!!!

  চাঁদপুর প্রতিদিন      Friday, April 17, 2015     ইন্টারনেট , টিপস এন্ড ট্রিকস      No comments   
বন্ধুরা আমার সালাম নিবেন। আশা করি আপনারা যারা এই বিশাল জগতে বিচরন করছেন তাদেরকে মধ্যে রাতের শুভেচ্ছা জানিয়ে আমার ভিন্ন ধারা লেখা শুরু করছি। বন্ধুরা আমার সকলে মজিলা ব্রাউজার ব্যবহার করি। কিন্তু এর বহু ব্যবহার সম্পর্কে আমরা ততটা তৎপর না। তো বন্ধুরা আপনারা শিরোনাম দেখে মনে ভয় পেয়েছেন। কারণ হলো ভয় পাওয়ার কোন কারণ দেখছি না। সেই জন্য আপনারা নিচের ধাপ গুলো অনুসরণ করলে হবে। তো শুরু করা যাক। 

Mozilla Firefox Browser Localization

মজিলা ফায়ারফক্স লোকালাইজেশন সম্পর্কে কিছু কথা?




  • লোকালাইজেশন কি?

প্রথমত, এটি একটি ইংরেজী শব্দ। একে localization অথবা localization দুই ভাবেই লেখা যায় , আবার আদর করে বা গিকি স্টাইলে একে l10n ও বলা যায়। আসলে l এবং n এর মধ্যবর্তি ১০ টা অক্ষরের কারণেই একে l10n নামে ডাকা হয়। টার্ম টা বাংলা করলে দাড়ায়, “স্থানীয়করন” ,এটা  অবশ্য শুনতে একটু অন্যরকম লাগে। নির্দিষ্ট দেশ বা অঞ্চলের উপযুক্ত করে একটি পন্য বা প্রোডাক্টকে ওই অঞ্চলের চলিত ভাষায় অনুবাদ করাটাই আসলে লোকালাইজেশন।


  • কেন দরকার এই লোকালাইজেশন ?


আলম একটি গ্রামের কলেজের ছাত্র । প্রযুক্তিকে সে খুবই ভালবাসে , সর্বশেষ প্রযুক্তি সম্পর্কে সে ধারনা রাখার চেষ্টা করে। তার একটি স্মার্টফোন ও আছে । কিন্তু সে স্মার্টফোনের অনেক কিছুই বুঝে না , কারণ সে ইংরেজি তে দুর্বল। হঠাৎ সে শুনল ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেমের কথা ,এবং সেটিতে তার কথা বলা ভাষা বাংলাও আছে। তার খুশি আর দেখে কে ? সে আনন্দের সহিত নতুন ফায়ারফক্স ফোন কিনে আনল । অবশেষে সে তার এই স্মার্টফোনের সাহায্যে অনেক কিছুই করতেপারল,যা কেউ কখনো ভাবতে পারে নি ।এমনকি এবার খরা হওয়া সত্যেও গ্রামে ফসল ঠিকই ফলল এবং এর পিছনে আলমের অবদান অনেক।
এটা আসলে আমার বানানো গল্প   :D। বরাবরই আমি গল্প বানানোতে কাঁচা :P। যাই হোক , এরকম অনেককিছুই হতে পারে নিজের ভাষায় একটি পন্য পেলে। মাহে আলম খান ভাইর সাথে লোকালাইজেশন  নিয়ে কথা বলার সময় উনি একটা কথা বলেছিলেন যেটার মূল কথা অনেকটা এরকম  ” তুমি লোকালাইজ করা প্রোডাক্টটি একজন ইংরেজি বা অন্য ভাষা না জানা লোককে দিলে বুঝতে পারবে তারা কিরকম খুশি হচ্ছে। ”


কিভাবে আপনার মজিলা ব্রাউজার লোকালাইজেশন অবদান রাখবেন। 

Bangla Mozilla Localization




মজিলা পন্যের লোকালাইজেশন কাজটি অপেক্ষাকৃত একটু সহজ কাজ। এজন্য আপনাকে কোন গিকি টার্ম জানা লাগবে না , আর কোন কোডিং ও করতে হবে না । শুধু কিছু জিনিস মাথায় রাখতে হবে আর দুটো ভাষা জানতে হবে , একটি আপনার মাতৃভাষা , দ্বিতিয়টি হচ্ছে ইংরেজি । আমি ধাপগুলো পর্যায়ক্রমে লিখে যাব।

  • প্রথমেই আপনাকে কষ্ট করে  http://mozilla.locamotion.org/ গিয়ে সাইন আপ ( নতুন একাউণ্ট খুলা) অথবা সাইন ইন করতে হবে।

  • এরপর http://mozilla.locamotion.org/bn_BD/ এই ঠিকানায় গিয়ে বাংলা ভাষার লোকালাইজেশন প্রসেস এবং বিস্তারিত দেখানো একটি পেজ পাবেন । যেটা দেখতে অনেকটা এই লিঙ্কের ছবির মত ।

  • আপনার খুশি মত প্রজেক্টের ( যেটার কম প্রগ্রেস হয়েছে এবং সম্ভাবনাময় প্রজেক্ট বলে আপনি মনে করেন ) লিঙ্কে গিয়ে লোকালাইজেশন শুরু করতে পারেন।

  • প্রজেক্টে/ পন্যের লোকালাইজেশন পেজে ঢুকার পর আপনি কিছু অপশন দেখতে পাবেন । “need translation” এ ক্লিক করলে আপনাকে সাজেশন এবং স্ট্রিংএর পেজে নিয়ে যাবে । ওখানকার টেক্সটবক্সে স্ট্রিংগুলোর যথার্থ অনুবাদ বসিয়ে সাজেস্ট বাটনে ক্লিক করে আপনি পরবর্তি স্ট্রিং এ যেতে পারেন। আপনি চাইলে টেক্সটবক্সের নিচের user suggestion থেকেও সাজেশন নিয়ে তাকে সম্পাদনা করে সাজেস্ট করতে পারেন।

  • সব সময় চলিত বাংলাটা ব্যবহার করার কথা মাথায় রেখে লোকালাইজেশন করবেন । যেমন ধরুন  ঃ ইন্সটলের বাংলা “স্থাপন করা’ , যেটা একটু  গোলমেলে, এইক্ষেত্রে ইন্সটল ব্যাবহার করাটাই যুক্তিযুক্ত। আবার যেখানে ভাল বাংলা আছে সেখানে সেটাই সাজেস্ট করুন ।  ব্যাবহারকারি সম্পর্কে চিন্তা করবেন , তাহলেই ঠিক হয়ে যাবে।

  • যদি আপনি কোন স্ট্রিংএর সঠিক অনুবাদ করতে না পারেন বা অনিশ্চিত থাকেন। ওইটা স্কিপ করুন “next string” এ ক্লিক করে।

অভিনন্দন , আপনি লোকালাইজেশন শিখে গেছেন , মজিলা পন্য সমুহের একজন লোকালাইজার হিসেবে আপনাকে স্বাগতম :D। “Happy Localizing”
টিপসঃ বাংলা ফায়ারফক্স ব্রাউজার দেখে আপনি লোকালাইজেশনের কিছু টার্ম এবং এ সম্পর্কে ভাল কিছু ধারনা পেতে পারেন।
কৃতজ্ঞতাঃ Anam Ahmed ( @theanam) , Rony , Aninda এবং আরো অনেক নাম না জানা বা মনে না থাকা ব্যাক্তিবর্গ যাদের নিয়ে এই ব্লগ পোস্টের দিন আড্ডা মেরেছিলাম । :D

  1. মজিলা পন্যের লোকালাইজেশন সম্পর্কে আরো জানতে https://wiki.mozilla.org/L10n:Home_Page ঢু মেরে দেখতে পারেন । তবে এটা ইংরেজি, একটু কষ্ট করে পরতে হবে । :)

  1. কোন ভুল হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখে আমাকে জানানোর জন্য অনুরোধ রইল । bn_BD লোকালাইজেশন নিয়ে কোন প্রশ্ন থাকলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ।


সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানিয়ে আজকের মত বিদায় নিলাম। আল্লাহ হাফেজ।

সম্পূর্ণ পড়ুন
Older Posts → Home
Tuner Tunes- এর সকল সোস্যাল মিডিয়া সমুহ

সরাসরি ই-মেইলে আপডেট পোষ্ট পেতে চাইলে!

  • Popular
  • Comments
  • Archive

Popular Posts

Comments

Coming Soon.....

Blog Archive

  • January (1)
  • March (9)
  • February (1)
  • January (1)
  • December (3)
  • November (2)
  • October (5)
  • September (6)
  • August (31)
  • July (29)
  • June (17)
  • May (3)
  • April (11)
  • March (13)
  • February (18)
  • January (15)
  • December (2)
  • November (1)
  • October (10)
  • September (16)
  • August (10)
  • July (8)
  • June (34)
  • May (2)

আমাদের সম্পর্কে কিছু কথা

হ্যালো ফ্রেন্ডস, আমি ব্লগার মোঃ আনোয়ার হোসেন। বর্তমানে যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলার এক প্রান্ত অঞ্চলে বসবাস করছি। ব্লগে বিভিন্ন ধরনের আর্টিকেল লিখে অনলাইনে সবার সাথে শেয়ার করতে ভালবাসি। আমি ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) এবং কম্পিউটার গ্রাফিক্স ডিজাইন করতে খুবই পছন্দ করি। এই জন্য আমাকে একজন এসইও কনসালটেন্ট ও গ্রাফিক্স ডিজাইনারও বলতে পারেন। আমাদের এই সাইটটি ব্লগারের নবাগত ব্লগিং ও সকল ধরনের নিত্য নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কিত টিউটরিয়াল এবং গাইড প্রদানের একটি স্বপ্ন নিয়ে আমি ও আমার এক বড় ভাই মেহেদী হাসান এবং মোঃ কামরুল আলম রাসেল বিস্তারিত পড়ুন..

আমাদের অন্য স্টাফ সম্পর্কে

মেহেদী হাসান ও মোঃ কামরুল আলম রাসেল আমাদের নেটওয়ার্কের আওতায় সব সাইটে সক্রিয়ভাবে কাজ করে। সে আমার বন্ধু সার্কেল এবং খুবই কাছের বন্ধুও বটে। সে তার যে কোন কাজে সব সময় সৃজনশীলতার পরিচয় দেয়। বিশেষ করে আমাদের সাইটের কোন প্রকার সমস্যা কিংবা কোন পার্সনাল কাজের প্রয়োজনে সে আমাকে খুবই সক্রিয়ভাবে সহায়তা করে। সে অনলাইন থেকে আয় করার বিষয়ে খুবই অভিজ্ঞ। সেও ব্লগ পড়তে এবং লিখতে খুবই ভালোবাসে। বর্তমানে সে মনিরামপুর একটি আইটি ফার্মের সাখে সক্রিয়ভাবে জড়িত। তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ুন..

সর্বশেষ মন্তব্য কারী

Copyright © AROHI ™ All Rights Reserved |